0
(0)

গল্পটা একটা মার্ডার মিস্ট্রি । সাধারণত মার্ডার মিস্ট্রি গুলো যেমন হয়ে থাকে এই গল্পটাও সেটার ব্যতিক্রম না । গল্পের শুরু হয় একটা ট্রাকিং সাইটে ঘুরতে যেয়ে একদল ছেলে একটা মেয়ের লাশ খুজে পায় । যখন পুলিশ আসে তখন খোজ দেখা যায় এই মেয়েটি একজন অবসর প্রাপ্ত জজের মেয়ে, পুজা চৌধুরী ।

জজ সাহেব কমিশনারকে বলে একজন স্পেশাল পুলিশকে এই কেসের দায়িত্বভার দেওয়ার অনুরোধ করেন । সেই পুলিশই হচ্ছে আমাদের মুভির প্রধান চরিত্র । মোনজ বাজবাই । যারা মোনজ বাজপাইকে কে চিনেন তারা জানেন এই লোক অভিনয়ে কতখানি পাকা । সত্যি বলতে কি এই মুভিতে এই একজন ছাড়া আর কিছুই নেই বলতে গেলে ।

মোনজ বাজপাইকে নারকোটিক্স ডিপার্টমেন্ট থেকে ডেকে আনা হয় এই কেস সমাধান করার জন্য ।

পুজা মারা যাওয়ার আগে শেষ গিয়েছিলো তার বান্ধবী কবিতার বাড়িতে । সেখানে গিয়ে দেখে যে তার বান্ধবী কবিতা বাসায় নেই । পুনে গিয়েছে একটা এক্সিবিশনের করতে । তার স্বামী রাভি খান্না যে কিনা আবার একজন এমএলএ, তার সাথে কথা বার্তা বলে ঠিক করে যে রাতে থেকে সে সকালে পুনের জন্য বের হবে ।

এদিকে সকালে রাভি নিজের কাজের জন্য বের হয়ে যায় । এবং কিছু সময়ের ভেতরে আবার ফিরে আসে বাসায় একটা পেন ড্রাইভ নেওয়ার জন্য । যখন যে ঘর থেকে বের হতে যায় তখন খেয়াল করে যে তার বউ কবিতা যার কিনা এখন পুনে থাকার কথা সে সিড়ি দিয়ে নিচে গড়িয়ে পড়ছে । এবং নিচে গড়িয়ে পড়ে সে কোমাতে চলে যায় । তাকে নিয়ে হাসপাতালে দৌড়াদৌড়ি করার পর যখন রাতে ফিরে আসে রাভি এবং তার কাজের লোক দাদু তখন দাদু তাকে জানায় যে পুজাকে জানানো হয় নি । রাভি তখন বলে যে পুজা হয়তো পুনে চলে গিয়েছে কবিতার খোজে। কিন্তু দাদু তাকে জানায় যে পুজা কিভাবে যাবে । কারণ সকালে পুজা তাকে ব্যাগ ঠিক করতে দিয়েছিলো । সেই ব্যাগ তো এখনও তার কাছেই রয়েছে । ব্যাগ নিয়ে সে কোথায় গেল ! তখন থেকেই পুজা মিসিং । এবং দুইদিন পরে তার লাশ খুজে পাওয়া যায় ।

স্বাভাবিক ভাবে ইনেস্পেক্টরের সন্দেহ গিয়ে পড়ে রাভির উপরে । এটাই পড়া স্বাভাবিক । সেই হিসাবেই খোজ খবর করতে শুরু করে তারা । এক সময়ে ইনেস্পেক্টরের সন্দেহ আরও দৃঢ় হয় যখন সে বাড়ির আগের কাজের লোক থেকে আরও কিছু তথ্য পাওয়া যায় । এভাবেই কেস আসতে আসতে এগিয়ে যায় ।

এমন কোন জটিল রহস্যের গল্প না । গল্প শেষ হওয়ার আগেই মোটামুটি আমি গেস করেই ফেলেছিলা খুনিটা কে হবে এবং শেষ পর্যন্ত তা সঠিকও হয়েছে । তবে মুভি দেখে যে খুব বেশি হতাশ হয়েছি তা না । সময় পাস করার মত একটা মুভি বলা চলে ।

মুভিটা মুক্তি পেয়েছে জিফাইভের প্লাটফর্মে । এছাড়া লোকাল সার্ভার ও টরেন্ট থেকেও নামিয়ে দেখতে পারবেন আশা করি ।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

Average rating 0 / 5. Vote count: 0

No votes so far! Be the first to rate this post.

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *