ক্লান্ত প্রতিযোগী

oputanvir
4.9
(45)

খেলা শেষ হতে হতে প্রায় রাত দশটা বেজে গেল। শীতের রাত, তার উপরে এটা মফস্বল শহর। এই জন্য সব কিছু যেন একটু আগে আগেই বন্ধ হয়ে যায় । সন্ধ্যা নামার পরপরই সব নিশ্চুপ হয়ে যেতে থাকে । মানুষজন তাদের বাসায় ফিরে যায় দ্রুত। নিরাপদ স্থানে ফিরতে চায় সবাই। শীতে রাতে কী হয়ে যায় কেউ বলতে পারে না । তবে এই ব্যান্ডমিন্টন মাঠটা শহরের সব থেকে নিরাপদ স্থানে অবস্থিত। এখানে কোন প্রকার ভয় বা বিপদের সম্ভবনা নেই।
নাদিম নিজের ব্যান্ডমিন্টন ব্যাটটা ব্যাগে ভরতে ভরতে সামনের দিকে তাকাল । রুহি নতুন ডাক্তার সাহেবের সাথে কথা বলছে হেসে হেসে। নাদিমের মনের ভেতরে কেন জানি একটা সুক্ষ কষ্ট দেখা দিল । সেদিক থেকে চোখ সরিয়ে নিল। তারপর নিজের ব্যাগ গুছানোর কাজে মন দিল । আজকে খেলার পুরো সময় নাদিম ঠিক মত মন দিতে পারে নি । বার বার চোখে চলে যাচ্ছিল রুহির দিকে । মেয়েটা আজকে খুব বেশি খেলে নি । শুরুর দিকে কয়েকটা গেম গেলে পাশের চেয়ারে বসে গল্প করেছে নতুন ডাক্তারের সাথে । ছেলেটাকে কেন জানি নাদিমের আর পছন্দ হচ্ছে না । তবে তাকে কিছু বলা যাবে না । ছেলেটা এসপি সাহেবের কেমন যেন আত্মীয় হয়।
-নাদিম সাহেব !
ডিসি সাহেব ডাক দিলেন নাদিমকে ।
-জ্বী স্যার?
-চলুন যাওয়া যাক !
-এই তো আপনারা হাটুন । আমি আর একটু বসি।
পেছন থেকে এসপি সাহেব হেসে উঠে বললেন, আরে বাসায় গিয়েই বা কী করবে? কে আসে বাসায় ?
যেন খুব ভাল একটা কৌতুক । সবাই হেসে উঠল। তারপর ওকে রেখেই হাটা দিল ।
নাদিম তখন দেখল রুহি ওর দিকে এগিয়ে আসছে । পেছন পেছন ডাক্তার ছেলেটা । রুহি কিছু বলার আগেই ডাক্তার ছেলেটা বলল, চলুন আপনাকে বাসায় পৌছে দিই।
-আরে না না । আপনার বাড়ি উল্টো দিকে । নাদিম সাহেবের বাসা আমার বাসার পাশেই । উনার সাথে চলে যাই আমি । আপনার সাথে কাল দেখা হবে !
রুহি তারপর ডাক্তার ছেলেটাকে যেন একেবারে উপেক্ষা করেই নাদিমের দিকে এগিয়ে এল । তারপর নাদিমের পাশে বসল। ডাক্তার ছেলেটা যেন একটু মন ক্ষুণ্ন হল । তবে মুখে সেটা প্রকাশ করল না । পেছনে ঘুরে হাটা দিল । একটু পরে কাজের লোকেরা খেলার জিনিসপত্র গুছিয়ে নিয়ে গেল । পুরো মাঠটা একেবারে শান্ত হয়ে গেল । পুরো মাঠে এখন কেবল নাদিম আর রুহি হয়েছে । চারিদিকে সব কিছু নিরব ।
রুহি এই জেলার নির্বাহি ম্যাজিস্ট্রইট । আর নাদিম জেলার এএসপি। দুইজনই শেষ বিসিএসে থেকে এক সাথে জয়েন করেছে। এই জেলাতেই তাদের প্রথম পোস্টিং ।
কাজ শুরুর কয়েক দিনের ভেতরেই রুহির সুনাম চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছে । সবার মুখে মুখে রুহির কথা। এক অবিবাহিত সুন্দরী ম্যাজিস্ট্রেস এসেছে জেলাতে । মাস কয়েকের ভেতরের জেলার সব গন্য মান্য বিবাহযোগ্য পুরুষেরা রুহির পেছনে ঘুরঘুর করতে লাগল । দেখতে শুনতে রুহি বেশ ভালই বলা যাবে। সুন্দর আর স্নিগ্ধ চেহারা তার। প্রথম দর্শনে যে কেউ তাকে পছন্দ করবে । এলাকার রানিং এমপি এখনও অবিবাহিত । শোনা যাচ্ছে সেই এমপি সাহেব রুহির ব্যাপারে বেশ আগ্রহী !
রুহি বলল, আজকে আপনার খেলায় মন ছিল না ।
নাদিম একটু অবাক হল । নাদিম আজকে মন দিয়ে খেলতে পারে নি । নাদিম জানে রুহি ঐ এমপিকে কোন ভাবেই বিয়ে করবে না। অন্তত এই কদিনে রুহিকে সে যতখানি চিনে এসেছে তাতে এক প্রকার নিশ্চিতই যে এমপি সাহেবকে রুহি পছন্দ করবে না। তবে এই ডাক্তার ছেলেটার ব্যাপারে কিছু বলা যাচ্ছে না । ছেলেটা এক ব্যাচ সিনিয়ার ওদের । সেও বিসিএস ক্যাডার বটে। চাকরির মেয়ার দুই বছর হয়ে চলল। এই জেলাতে নতুন পোস্টিং হয়ে এসেছে । এসপি সাহেবই নাকি এখানে পোস্টিংয়ের ব্যবস্থা করিয়েছেন ।
-চলুন হাটা যাক !
-হ্যা চলুন !
-তা আন্টিকে আনবেন কবে?
নাদিম তার কোয়াটারে একা থাকে। কাজের জন্য কাজের লোক আছে । এছাড়া আর কেউ নেই । নাদিমের বড় আরও দুই ভাই আছে । তাদের একজন ডাক্তার, অন্যজন দেশের বাইরে থাকে । সাভারে নাদিমদের নিজেদের বাড়ি রয়েছে । ওর বাবা মা বেশির ভাগ সময়ই সেখানেই থাকে। নাদিমের বাবাও সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। নিজের জীবনের সঞ্চয় দিয়ে নিজেদের বাড়ির পাশে বিশাল বড় একটা ফার্ম করেছেন। দুইজন মিলে সেটা দেখাশুনা করেন।
নাদিম এই কথা রুহিকে বলেছিল একবার। আজকে বলল, মা বাবা এখানে আসতে চায় না । ভাইয়ার বাসাতেও না । তারা বলে আমরা নাকি বিরক্ত হই !
-সত্যিই হন নাকি?
-আরে না । তবে আমি কম কথা বলি সেটা তো জানেন । আমি সারা জীবনই এমনই ছিলাম । ছোট থেকেই মানুষ জনের সাথে কথা বার্তা কম বলতাম । কম মিশতাম । এটা কিন্তু তারা তখন থেকেই জানত । যখন পড়ালেখা করেছি তখন সপ্তাহেও আমি কল করতাম না। তখনও কোন অভিযোগ ছিল না তাদের। কিন্তু এই চাকরি পাওয়ার পর থেকে কেন জানি তাদের নানান রকম অভিযোগ ! আমি কেন যোগাযোগ করি না!
রুহি হাসল । তারপর বলল, এমন কি স্বাভাবিক না? সেই সময় আর এখন কি এক? সন্তানেরা যখন বড় হয় তখন বাবা মায়েদের এক্সপেক্টেশন বাড়ে । তারা অনেক কিছুই আশা করে । আপনি দিনে একবার ফোন করলেই পারেন ।
নাদিম মাথা ঝাকাল । সে এরপর থেকে মাকে ফোন দিবে এমন একটা ভাব । দুজন এরপর কিছুটা সময় হাটতে লাগল । কেউ কোন কথা বলল না কিছু সময়। নিঃশব্দ রাতের ভেতর দিয়ে এগিয়ে চলল । এক সময় রুহি বলল, আপনি জানেন মেয়েরা কী পছন্দ করে?
নাদিম যেন ঠিক মত রুহির কথাটা শুনল না বা ধরতে পারল না । বলল, কী বললেন?
-বললাম মেয়েরা কোন ব্যাপারটা পছন্দ করে জানেন?
-কোন ব্যাপারটা?
-মেয়েদের সব থেকে পছন্দের ব্যাপার হচ্ছে মেয়েরা যখন দেখে তাকে পাওয়ার জন্য পুরুষেরা চেষ্টার কমতি করছে না । পছন্দ তো যে কেউ করতে পারে কিন্তু প্রিয় মানুষটিকে পাওয়ার চেষ্টায় কে কতদুর যেতে পারে সেটাই মেয়েদের কাছে সব থেকে বড় ব্যাপার !
নাদিম কথাটা শুনল । তবে এর উত্তরে কোন কথাই বলল না । রুহি কেন কথাটা বলল সেটা নাদিম জানে খুব ভাল ভাবে । রুহির প্রতি নাদিমের যেমন আচরণ সেটা রুহি ঠিকই বুঝতে পারে । মেয়েদের মাঝে এই সহজাত ক্ষমতাটা থাকে । তারা ছেলেদের চোখের চাহনীতে বলে দিতে পারে যে কে তাদের পছন্দ করে । কিন্তু মেয়েরা চায় ছেলেরা তাদের জন্য যুদ্ধ করুক । তাদেরকে জয় করে নিক । তাদের জন্য প্রতিযোগিতায় নামুক।
একেবারে রুহির বাসার সামনে এসে নাদিম থামল। নাদিমের মনে হল যে আজকেই তার সব কিছু বলে দেওয়া উচিৎ। পরে হয়তো আর বলতে পারবে না । নাদিম কিছু একটা বলতে যে চায় সেটা রুহি নিজেও বুঝতে পারল ।
-রুহি, আমি সারা জীবন এই প্রতিযোগিতাকে খুব অপছন্দ করে এসেছি। আমি বাড়িতে কম কথা বলি কেন জানো? ছোট বেলা থেকে আমি সব সময় দেখে এসেছি আমার বাড়ির লোকজন আমাকে অন্যের সাথে তুলনা দিয়ে এসেছে। আমার বড় দুই ভাই খুব মেধাবী। একজন ডাক্তার অন্যজন বুয়েট পাশ করে দেশের বাইরে গিয়েছে। আমি পড়েছি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ে। এই কারণে আমাকে বারবার আমার পরিবারের কাছ থেকে নানান কথা শুনতে হত সব সময় । আমি কেন পারি না? আমি কেন আমার বড় ভাইদের মত মেধাবী হলাম না ? এই যে চাকরিটা পেলাম এটা পাওয়ার পরে তাদের এই তুলনা দেওয়াটা একটু কম হয়েছে। কলেজে থাকতে একটা মেয়েকে আমি পছন্দ করতাম । সে আমাকে বাদ দিয়ে আমার এক বন্ধুকে পছন্দ করেছিল কারণ সেই ছেলের বাবার বেশি টাকা পয়সা ছিল । এরপরে আমি আর কখনও কারো প্রতি আকর্ষিত হই নি । আমার নিজেকে এই প্রমাণ করতে করতে ক্লান্ত লাগে কেন জানি ! এই পর্যন্ত আসতে আমাকে কতকিছু যে প্রমান করতে হয়েছে তার ঠিক নেই। আমি খানিকটা ক্লান্ত হয়ে পড়েছি এই পর্যন্ত আসতে গিয়ে ।
একটানে এতো গুলো কথা বলে নাদিম যেন একটু হাপিয়ে গেল । নাদিম হয়তো নিজেও খেয়াল করে নি যে এই কথা গুলোর মাঝে নাদিক রুহিকে তুমি করে বলেছে। দম নিয়ে আবার বলল, আমি সারা জীবন এই একটা স্বপ্নই দেখেছি যে জীবনে এমন একটা মেয়ে আমার জীবনে আসবে যে আমাকে কারো সাথে তুলনা করবে না । আমাকে কেবল আমার কারণেই ভালবাসবে ! আমি যেমন তেমনই ! আই গেস সেটা বুঝি আর হবে না !

হঠাৎ করেই যেন চারপাশটা আরও যেন নিরব হয়ে গেল । নাদিম বলল, আচ্ছা আজকে আসি । কেমন ?
রুহি কেবল মাথা ঝাকাল । নাদিম আর পেছন ফিরে না তাকিয়েই নিজের কোয়াটারের দিকে হাটা দিল । রুহির কোয়াটার থেকে একটু দুরেই নাদিমের কোয়াটার। হাটার সময়ে কেন জানি নাদিমের মন খারাপ লাগছিল । রুহি যা বলতে চেয়েছিল ওকে সেটাতে সে রুহিকে দোষ দিতে পারে না । যে কোন মেয়ের বেলাতেই এই চাওয়াটা স্বাভাবিক একটা ব্যাপার । কিন্তু নাদিম এই তুলনা এই প্রতিযোগিতায় ক্লান্ত অনেক । নিজের সব থেকে কাছের মানুষ গুলোর কাছ থেকে এই তুলনার কথা শুনতে শুনতে এখন নাদিম ঐ দিকে যেতেই ইচ্ছে করে না। আর নতুন ভাবে নিজেকে কোন প্রতিযোগীতায় সে নিজেকে যুক্ত করতে চায় না।
বাসার কাজের লোকটা দরজা খুলে দিল । নাদিম তাকে জানালো গোসল করেই সে খেতে বসবে । টেবিলে খাবার দিতে বলল। শাওয়ারের ঠান্ডা পানি যখন গায়ে পড়ল তখন মনের অস্থিরতা ভাবটা একটু কমল । সেই সাথে নাদিমের কাছেই এটাও পরিস্কার হয়ে গেল যে রুহি সম্ভবত কাল থেকে আর ওর দিকে নজর দিবে না । এই জেলার এমপি কিংবা নতুন ডাক্তার ছেলেটার দিকে ঝুকবে। মনটা আবারও একটু খারাপ হল ।
গোসল শেষ করে, রাতের পোশাক পরে যখন খাবার টেবিলে আসল তখন একটা তীব্র বিস্ময় নিয়ে খেয়াল করল যে রুহি টেবিলে বসে রয়েছে। সামনে একটা প্লেট । নাদিমের একবার মনে হল সে যেন ভুল দেখছে। রুহির খাবার টেবিলে প্লেট নিয়ে ওর জন্য এমন ভাবে অপেক্ষা করছে যেন ও এই বাড়িতেই থাকে । এক সাথে সব সময় খাওয়া দাওয়া করে । নাদিমের বিস্ময় ভাবটা রুহি যেন উপভোগ করল কিছু সময়। তারপর হেসে বলল, আজকে বাসায় চিংড়ি রান্না হয়েছিল । আপনার না চিংড়ি পছন্দ খুব?
নাদিম কিছু সময় এটা মনে করার চেষ্টা করল যে কোনদিন নিজের এই চিংড়ি পছন্দের কথা সে রুহিকে বলেছিল কিনা । বলে থাকবে হয়তো এবং মেয়েটা সেই পছন্দের কথা মনেও রেখেছে।
রুহি বলল, আসুন রাতের খাবার এক সাথে খাই । আপনি তো বকা দিয়ে আমাকে রেখে চলে আসলেন ।
নাদিম খানিকটা লজ্জা পেল । বলল, বকা দিলাম কোথায়?
-ঐ হল ! বকা দেওয়ার থেকে কম কিসের ! যাক আগে আসুন । খালি পেটে অনেক কিছু চিন্তা করা যায় না । পেট ভরলে সব কিছু অন্য রকম লাগে । খেলতে খেলতে ক্ষুদা লেগেছিল বলেই সম্ভবত ঐ রকম কাটখোট্টা টাইপের কথা বার্তা বলেছেন । আসুন আগে খাওয়া দাওয়া করা যাক !
চিংড়িটা মুখে দিয়েই নাদিমের মনটা একেবারে ভাল হয়ে গেল । সুস্বাদু খাবার যে কোন পরিস্থিতি বদলে দিতে পারে, মানুষের মুড পরিবর্তন করতে পারে।
খাওয়া দাওয়া শেষ করে আবারও ওরা হাটতে বের হল বাইরে । নাদিম খেয়াল করল এবার খেলার পোশাক বদলে সেলোয়ার কামিজ পরে এসেছে। তারউপরে একটা সয়েটার পরেছে । কতক সময়ে আবারও তারা হাটল নিঃশব্দেই । নাদিম এক সময়ে বলল, চিংড়িটা কি আপনার রান্না করা?
-জ্বী । আমি কিন্তু ভাল রান্না পারি।
-আর কী কী পারেন ?
-লম্বা লিস্ট! বলে শেষ কএয়া যাবে না । এর থেকে বরং আমি আপনাকে আস্তে আস্তে রান্না করে খাওয়াব!
-প্রতিদিন যদি এভাবে আপনি রান্না করেন তাহলে আপনার বাবা মা কী ভাববে বলুন তো । এর থেকে এক কাজ করুন আপনি আমার বাসায় চলে আসুন ! একেবারে পার্মানেন্ট ভাবে !
রুহি থেমে গেল । আজকেই যে নাদিম এমন কথা ওকে বলতে পারে সেটা রুহি ভাবে নি । রুহি নাদিমকে কেবল এই কথাটা বোঝাতে চেয়েছিল যে রুহি তার ব্যাপারে খুব বেশি সিরিয়াস । নাদিমও যেন একটু এগিয়ে আসে । সে ভাবেও নি নাদিম আজকেই এতো এগিয়ে আসবে । তবে মনে মনে খুশিও হল খুব । নাদিমের দিকে কিছু সময় তাকিয়ে থেকে বলল, আমি কিন্তু অনেক জ্বালাতন করব । অনেক প্যারা দিব । তবে হ্যা, কখনও অন্য কারো সাথে তুলনা দিব না । কখনও না। আমার সামনে কখনও নিজেকে প্রমান করতে হবে না, প্রতিযোগিতা করতে হবে না।
কত সময়ে ভাবে কেটে গেল একে অন্যের দিকে তাকিয়ে ওরা কেউ বলতে পারবে না । রাতের নিস্তব্ধতা যেন চারিদিকে আরও ছেয়ে গেছে একেবারে । দূর থেকে কোন অজানা পাখির ডাক কিছু সময় পরপর ভেসে আসছে । নাদিমের কাছে সব কিছু যেন স্বপ্নের মত মনে হচ্ছে । আসলেই কি এটা এটা বাস্তবে ঘটছে? নাকি নাদিম স্বপ্ন দেখছে!
নাদিম জানে না । নাদিম জানতেও চায় না । যদি এটা স্বপ্ন হয়েও থাকে নাদিম আর স্বপ্ন থেকে জেগে উঠতে চায় না । এই মধুর স্বপ্নের ভেতরেই বাকি জীবনটা পার করে দিতে চায়।

ফেসবুকের অর্গানিক রিচ কমে যাওয়ার কারনে অনেক পোস্ট সবার হোম পেইজে যাচ্ছে না। সরাসরি গল্পের লিংক পেতে আমার হোয়াটসএপ বা টেলিগ্রামে যুক্ত হতে পারেন। এছাড়া যাদের এসব নেই তারা ফেসবুক ব্রডকাস্ট চ্যানেলেও জয়েন হতে পারেন।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

Average rating 4.9 / 5. Vote count: 45

No votes so far! Be the first to rate this post.

About অপু তানভীর

আমি অতি ভাল একজন ছেলে।

View all posts by অপু তানভীর →