ডার্ক লর্ড

oputanvir picture 1
4.7
(32)

আজকে তিন দিন ধরে আইরিন মনে অশান্তি নিয়ে অপেক্ষা করছে । বারবার মনে হচ্ছে কাজটা করা ওর ঠিক হল কিনা । ঝোকের মাথায় সে কাজটা করে ফেলেছে কিন্তু এখন পস্তাচ্ছে । তখন মেয়েটার উপরে এমন রাগ উঠেছিলো । বিশেষ করে শুভকে যখন দেখেছিলাম মেয়েটার সাথে হেসে হেসে কথা বলতে দেখেছিলো তখনই রাগে পুরো শরীর কেঁপে উঠেছিলো ওর । বারবার মনে হচ্ছিলো মেয়েটা বুঝি শুভকে ওর কাছ থেকে কেড়ে নিবে । শুভ ওর কাছ থেকে হারিয়ে যাবে । মেয়েটার নাম নিলিমা । ওদের ব্যাচেরই তবে অন্য ডিপার্টমেন্টের । নতুন সেমিস্টারে ওদের সাথে একটা ননক্রেডিট কোর্সে একই সাথে ক্লাস পড়েছে ওদের । সেই শুরুর দিন থেকেই নিলিমাকে দেখে আসছে শুভর পেছনে ঘুরঘুর করতে । এটা আইরিনের কাছে মোটেও ভাল মনে হয় নি । কিন্তু যখন শুভকেও নিলিমার সাথে আলাপ জুড়ে দিতে দেখলো তখন আর নিজেকে নিয়ন্ত্রন করতে পারলো না । ভয়ংকর সেই কাজটা করেই ফেলল ।

ডার্কনেট সম্পর্কে আইরিনের একটু ধারণা ছিল । বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবনের শুরুতেই ওর বাবা থেকে একটা নতুন ল্যাপটপ কিনে দিল সেই সাথে ওর পড়াশোনার বিষয়টাও ছিল কম্পিউটার সম্পর্কৃত । সিএসসি নিয়ে পড়তো সে । যখন নতুন হোস্টেলে উঠলো তখন হাতে এসে হাজির হল আনলিমিটেড ওয়াইফাই । ক্লাসের বাদ দিয়ে অন্য সময়টুকুর প্রায় সব টুকুই সে নেটেই কাটাতো । এবং আস্তে ধীরে সেই সময়টা কাটতে লাগলো ডার্কে ওয়েবের ভেতরে । আইরিন আবিস্কার করতে শুরু করলো যে এখানে ভয়ংকর সব কাজ করা যায় । এমন কিছু নেই যে সেখানে কিনতে পাওয়া যায় না । এমন কি মানুষের শরীরের কিডনি পর্যন্ত । ঠিক মত টাকা দিলেই হল । টাকার জন্য ব্যবহার করা হত বিটকয়েন । যাতে টাকার উৎস কোন ভাবেই ট্রেস করা যায় না । সময়ের সাথে সাথে এই সব ব্যাপারে আইরিন একটু পারদর্শী হয়ে উঠলো । পরীক্ষা করার জন্যই প্রথম ড্রাগের অর্ডারটা দিল সে । তবে আশা ছিল না খুব একটা । অর্থের পরিমানটাও খুব বেশি ছিল না । তাই সেটা নিয়ে খুব একটা চিন্তিত হল না । কিন্তু যখন সত্যি সত্যি মাস খানেক পরে একটা প্যাকেট এসে হাজির হল ওর হোস্টেলের দরজায় তখন ব্যাপারটা একটু সিরিয়াসলিই নিল সে ।

তারপরই সে খোজ পেল ডার্ক লর্ড নামের একজনে । অনলাইন মার্কেটের একজন সেলার । এবং এই সেলার বিক্রি করে কন্ট্রাক্ট কিলিং ।কৌতুহল থেকে সে মেসেজ দিল তাকে । যদিও খুব একটা আশা ছিল না কিলার মেসেজের জবাব দিবে তবে আইরিনকে অবাক করে দিয়ে একদিন পরেই জবাব এল । আইরিন তো প্রথমে ভয় পেয়েই প্রথমে টর ব্রাউজারটাই বন্ধ করে দিল । তবে পরে আবারও ওপেন করলো সেটা । ভয়ে ভয়ে জবাব দিল । প্রথমেই জানতে চাইলো যে সে সত্যিই কিলার কিনা । উত্তরে কিলার কোন কথা না বলে কেবল একটা ছবি পাঠালো । প্রথমে ঠিক বুঝতে পারলেও পরে যখন চিনতে পারলো ছবির জিনিস গুলো তখন চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে রইলো ।
কিলার জানালো যে এটা তার একটা সখ বলা যায় । সে মানুষকে খুন করার পরে তাদের মুখ থেকে একটা মাড়ির দাত তুলে নেয় । নিজের কাছে রাখে । এটা তার কাজের একটা নিদর্শন ।

আইরিন তারপর আস্তে আস্তে আগ্রহ পায় । কেন পায় সেটা আইরিন নিজেও জানে না । কেবল জানতে আগ্রহী হয় । কিলারও যে কেন জবাব দেয় সেটাও আইরিন জানে না । তবে ওদের মাঝে কথা হতে থাকে । আইরিন নিজের সম্পর্কে বলে তবে এমন কোন কথা বলে না যেটাতে ওকে ট্রেস করা যাবে । এমন কী ওর আসল নামও বলে না । কেবল জানায় যে বাংলাদেশ থেকে কথা বলছে । একদিন কৌতুহল থেকে কিলারকে বলে যে যদি আইরিন কাউকে খুন করাতে এই দেশে তাহলে সেটা সম্ভব কিনা । কিলার জানালো যে খুব সম্ভব । ওদের একটা সংগঠন রয়েছে । এই সংগঠন ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে পুরো পৃথিবী ব্যাপি । প্রায় পুরো পৃথিবীই তারা কাভার করে । এভাবে আরো কত কিছু জানলো যে কিলারের কাছ থেকে । কিলার প্রায়ই এসে তার কাজের বর্ণনা দিত । প্রথমে শুনতে খুব ভয়ংকর লাগলেও পরে থ্রিল অনুভব করতো সে । আরো জানতে চাইতো ।

তারপরেই আইরিন ভয়ংকর কাজটা করলো । নিলিমার সাথে শুভকে দেখে সে মোটেও সহ্য করতে পারলো না । সরাসরি ডার্ক লর্ডকে জানালো যে একজনকে খুন করতে চায় । কিভাবে পেমেন্ট করতে হবে । তারপর যাকে মারতে হবে তার ডিটেইলস দিতে । নিলিমার কাছে কিছু টাকা ছিল সেমিস্টার ফি দেওয়ার জন্য । সেটাই সে কার্ডে ভরলো তারপর সেখান থেকে বিট কয়েন কিনলো । তারপর সেই কয়েন গুলো ট্রান্সফার করে দিল ডার্ক লর্ড এর কথা মত । এরপর অপেক্ষা করতে লাগলো । কিন্তু একটা দিন পার হয়ে যেতেই আইরিনের মনে হল যে কী একটা ভয়ংকর কান্ড ঘটিয়ে ফেলেছে সে । একটা মানুসকে মেরে ফেলার জন্য একজন কিলারকে টাকা দিয়েছে । সে দ্রুত আবার ডার্ক লর্ড এর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলো । কয়েকবার নক দিলো তাকে । কিন্তু কোন জবাব এল না । একদিন দুই দিন তিন দিন পার হয়ে গেল । না নিলিমা মারা গেল আর নাই বা ডার্ক লর্ড তার তার মেসেজের জবাব দিল । তারও একদিন পরে ডার্ক লর্ডের আইডিটা আর সে খুজে পেল না । আইরিন বুঝলো যে হয় ডার্ক লর্ডের আইডি ডিএকটিভ বা ডিলিট হয়েছে কিংবা ডার্ক লর্ড তাকে ব্লক করে দিয়েছে । ফোরামে এই ব্যাপারটা খুবই স্বাভাবিক। মনে মনে হাসলো কেবল । ডার্ক লর্ড তাহলে ফ্রড । ওর কাছ থেকে টাকা নেওয়ার জন্যই এমনটা করেছে । এতো গুলো টাকা হারানোর কষ্ট একটু হল বটে খুনটা যে হল না এটা জেনে একটু শান্তি পেল সে । মনে মনে বলল খুব শিক্ষা হয়েছে । এখন থেকে আর ডার্ক ওয়েবে যাবে না সে । এসব বাদ দিয়ে পড়ালেখায় মন দেওয়া উচিৎ ।

কিন্তু ঠিক তার দুইদিন পরেই ঘটনা ঘটলো । ক্যাম্পাসে গিয়েই জানতে পারলো যে নিলিমাদের বাসায় গ্যাস সিলিন্ডারে আগুন লেগেছে । নিলিমা তখন বাসায় একা ছিল । সম্ভবত রান্না ঘরে কোন কাজ করতে গিয়েছিলো । সেখান থেকেই মেয়েটা মারা গিয়েছে । খবরটা শোনার পরে বারবার কেবল উপরওয়ালার কাছে দোয়া করতে লাগলো যেন এটা একটা কাকতালীয় ব্যাপারই যেন হয় । নিছক দুর্ঘটনা যেন ঘটে । কোন ভাবেই যেন মেয়েটার এই মৃত্যুর সাথে আইরিনের কোন সম্পর্কে না থাকে ।

তখনই হোস্টেলে ফিরে এল সে । বার কয়েক চেষ্টা করেও ডার্ক ওয়েবে ঢোকার সাহস পেল না । যদি ঢুকে দেখতে পায় লার্ক লর্ড নামের সেই খুনী ওকে মেসেজ দিয়ে বসেছে জব ডান তাহলে ভয়ংকর ব্যাপার হবে । তবে নিজেকে সে দুরেও রাখতে পারলো না । মনের ভেতরে এই কৌতুহল কিছুতেই আইরিনকে শান্তি দিল না । বারবার কেবল মনে হতে লাগলো ওকে জানতেই হবে । এটা অবশ্যই কেবল একটা দুর্ঘটনা । নিলিমার মৃত্যুর সাথে তার কন্ট্যাক্ট কিলিংয়ের কোন সম্পর্ক নেই ।

আরও দুটো দিন পরে আইরিন ফোরাম একাউন্টে ঢুকলো । মেসেজে অনেক গুলো মেসেজ এসেছে বটে তবে সেগুলো একটাও চেক করলো না । এখানে একাউণ্ট অলার পরেই নানান সময়ে নানান মেসেজ আসতো । কেউ ড্রাক বেঁচতে চায় কেউ বা পর্নগ্রাফি । এসব নিলিমা প্রথম প্রথম দেখলেও পরে দেখতো না । মেসেজ বক্সকে গিয়ে নির্দিষ্ট মেসেজ বক্সে গিয়ে হাজির হল । দেখতে পেল ডার্ক লর্ডের প্রোফাইল এখনও কালো হয়ে আছে । তার মানে এখনও সে তাকে ব্লক করে রেখেছে । যাক একটু শান্তি পেল যে । যদি যে নিলিমাকে খুন করতো তাহলে তাকে মেসেজ দিয়ে জানাতো যে কাজটা সে করেছে । টাকা নিয়ে ভেগেছে সে । আইরিন কী যে শান্তি পেল নিজের মনের কাছে সেটা সে নিজেই বলতে পারবে না
তবুও কদিন সময় লাগলো আইরিনের নিজেকে সামলে নিতে । বারবার কেবল ওর এই কথাই মনে হতে লাগলো যে যদি সত্যি সত্যি টাকা নিয়ে ঐ কিলার নিলিমাকে খুন করতো তাহলে কী হয়ে যেত ।

এই সময়ে শুভ ওকে বেশ ভাল সময় দিল। শুভ সাথে ওর প্রেমটা আস্তে আস্তে বাড়তে লাগলো । আইরিন যেন শুভর প্রতি আরো বেশি নির্ভরশীল হয়ে উঠলো । শুভও আইরিনকে আকড়ে ধরলো । ওকে সাপোর্ট দিলো খুব ভাল ভাবেই ।

তবে আইরিন যতই শুভর কাছে আসতে লাগলো শুভর ভেতরে একটা অস্বাভাবিকত্ব আইরিনের চোখে পড়তে লাগলো । যেমন শুভ কিছু সময় পরপরই কাউকে কিছু না বলে একেবারে গায়েব হয়ে যায় । তখন কোন প্রকার খোজ খবর পাওয়া যায় না শুভর । অনেকবার জানতে চেয়েছে আইরিন তবে কোন উত্তর পায় নি । কেবল শুভ জানিয়েছে এই সময়ে সে নিজের কিছু ব্যক্তিগত কাজেই যায় । কী সেই ব্যক্তিগত কাজ সেটা অবশ্য আইরিনকে শুভ বলে নি । এই কারণেই আইরিনের কৌতুহলটা বেড়েই চলেছে ।
অবশ্য কৌতুহলের পেছনে আরো একটা কারণ রয়েছে । আইরিন বেশ কয়েকবারই শুভ ফ্ল্যাট গিয়েছে । সেখানে তারা ঘনিষ্ঠ হয়েছে খুব বেশি । প্রথমদিন যখন ওরা ঘনিষ্ঠ হল তখনই আইরিন বুঝতে পেরেছিলো যে শুভ এই কাজটা তার সাথেই প্রথম করে নি । আগেও করেছে । মনটা ওর খানিকটা খারাপ হয়েছিলো বটে । তবে সেটা ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল । ভেবে নিয়েছিলো ওর আগে যে কারো সাথেই শুভ প্রেম থাকতে পারে ।
এভাবেই দিন যেতে লাগলো । ওদের ভেতরে প্রেম বাড়তে লাগলো । মাঝে মাঝেই শুভ গায়েব হয়ে যেত । আইরিন এটা মেনেই নিয়েছিলো । গায়েব হওয়ার কয়েক দিন পরেই অবশ্য ফিরেও আসতো । তবে একদিন একটা কৌতুহলের ব্যাপার খেয়াল করলো আইরিন । শুভ যখন গায়েব হওয়া থেকে ফিরে আসতো তখনই পত্রিকাতে কোন না কোন দুর্ঘটনার সংবাদ ছাপা হত । হয় গাড়ি দুর্ঘটনা, ছাদ থেকে পড়ে যাওয়া কিংবা গ্যাস সিলিন্ডার ব্লাস । সব বড় বড় বা বিখ্যাত লোক মারা যেত । এইব্যাপারটা খেয়াল করলো ও একদিন সকাল বেলা । তার আগেই শুভ গায়েব হয়ে গেছে । চারদিন পরে সকালে ঘুম থেকে উঠে আইরিন ফেসবুক স্ক্রল করতে করতে দেখতে পেল সংবাদটা । ওদের প্রাক্তন উপাচার্য মারা গেছে পার্কে হাটতে গিয়ে । হার্ট এটাকে । তখনই মনে হল আজকে শুভ ফিরে আসবে । কারণ এর আগে বিখ্যাত শিল্পপতি মারা গিয়েছি গাড়ি দুর্ঘটনায় । কেবল চোখে পড়েছিলো সংবাদটা । তারপরই শুভ আবার ফিরে এল ।

নাস্তা খাওয়ার পরে আইরিন পুরো ব্যাপারটা চিন্তা করলো । তারপর নেট সার্চ দিয়ে খোজ নিতে লাগলো । যখন ঘন্টা দুয়েক পরে ও স্ক্রিন থেকে চোখ সরালো অবাক হয়েই দেখলো ঠিক যেদিন যেদিন শুভ ফিরে এসেছে ঠিক সেই দিনই দেশের বিখ্যাত কেউ মারা গেছে । আচ্ছা যখন নিলিমা মারা গিয়েছিলো তখন শুভ কোথায় ছিল ?

তখনই মনে পড়লো ওর ব্যাপার । নিলিমার মৃত্যুর সময় শুভর সাথে ওর দেখা হয় নি । মৃত্যুর দিন বিকেলে কথা হয়েছিল । মনের ভেতরে একটা ভয়ংকর ব্যাপার জেগে উঠতে শুরু করলো । আইরিন বারবার নিজের মনকে বোঝাতে চাইলো যে এমনটা কোন ভাবেই হতে পারে না । এতো কাকতালীয় ব্যাপার হতে পারে না । নিজের মনকে বারবার কেবল এই কথাটাই বলে গেল সে ।

তখনই মনে হল যে ওর সেই ডিপ ব্লগের একাউন্টে সে একবার প্রবেশ করে দেখে । হয়তো কিছু পাওয়া গেলেও পাওয়া যেতে পারে । একাউন্টে ঢুকলো আবার । মেসেজ বক্সে গিয়ে আবারও চেক করলো ডার্ক লডের সেই মেসেজ গুলো । তখনই আইরিনের মনে হল ডার্কলর্ড ওর সাথে কথা কেন বলেছিলো? কেন এতো গল্প করেছিলো । মেসেজ গুলো চেক করতে গিয়ে খেয়াল করলো যখন থেকেই সে নিজের থাকার স্থানের কথা স্বীকার করেছিল তখন থেকেই ডার্কলর্ড ওর প্রতি আগ্রহ দেখিয়েছিলো বেশি । ছবি গুলো যখন আরেকবার পরীক্ষা করলো তখনই সব থেকে বড় ধাক্কা খেল । দাঁত গুলো যে ফ্লোরে রেখে ছবি তোলা হয়েছিলো সেই ফ্লোরটা আর শুভ ফ্লোরটা দেখতে একেবারে এক রকম । ব্যাপারটা টের পেতেই মুখে হাত দিয়ে নিজের কান্না চাপতে চেষ্টা করলো । এমন আর কোন সন্দেহ নেই ডার্ক লর্ডই হচ্ছে শুভ ।

তারপর ইনবক্সে আসা অন্য মেসেজ গুলোর দিকে তাকাতেই একটা মেসেজ বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করলো । নাম ”ওভিইউএইচএস” । মেসেজটা ওপেন করতেই দেখানে দেখতে পেল অনেক গুলো মেসেজ পাঠানো হয়েছে । বেশ কিছু সময় আগে । প্রথম মেসেজটা ছিল আমি ডার্কলর্ড জিরো টুনাইন এইট। আগের আইডিটা বন্ধ করে দিতে হল কিছু নিরাপত্তার কারণে । তোমার কাজ হয়ে গেছে । তারপর একটা ছবি । একটা দাঁতের ছবি ।

আইরিন আর কিছু অনুভব করতে পালরো না । কোন মতে ল্যাপটপটা বন্ধ করলো । তারপর নিজের বিছানাতে পড়ে রইলো । সে সত্যিই একজনকে মেরে ফেলেছে । এই অনুভূতিটা আইরিনকে দুনিয়ার সব কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিলো একেবারে । ঢাকা ছেড়ে নিজের গ্রামের বাড়ি ফিরে গেল সে ।

পরিশিষ্টঃ


দৈনিক পত্রিকার শিরোনামঃ

বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর পানিতে ডুবে মৃত্যু

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

Average rating 4.7 / 5. Vote count: 32

No votes so far! Be the first to rate this post.

About অপু তানভীর

আমি অতি ভাল একজন ছেলে।

View all posts by অপু তানভীর →