ইসরা

4.8
(26)

ইসরাকে আমি প্রথম দেখি আমাদের গ্রামের বাড়িতে। আমার ছোট চাচার মেয়ে মীরুর বিয়েতে। ইসরা ছিল মীরুর ছোটবেলার বান্ধবী। আমরা সপরিবারে গ্রামে গিয়েছিলাম। তাছাড়া গ্রামে যাওয়ার অন্য আরও একটা কারণ ছিল। আমরা দুই ভাই। আমাদের বয়স কাছাকাছি। মা আমাদের দুই ভাইয়ের বিয়ে একসাথে দিতে চান। সেই বিয়ের জন্য বিয়ের জন্য পাত্রী দেখতে আমরা গিয়েছিলাম গ্রামে। আমি যদিও কিছু করি না। কিন্তু বিয়ের জন্য ভাইয়া ছিল আদর্শ পাত্র। তবুও মায়ের ইচ্ছা ছিল আমদের দুই ভাইয়ের একসাথে বিয়ে দেওয়া। কেন এই ইচ্ছে হল সেটা আমি জানি না। তবে আমার বিয়ে করতে খুব একটা আপত্তি ছিল না। বিয়েতে ভাইয়ার এক বন্ধুও গিয়েছিল। জামিল ভাই। জামিল ভাই ছিল একটু ফনটে টাইপের, বিশেষ করে মেয়েদের ব্যাপারে। আমিও কম না। দুজন মিলে বিয়ে বাড়ির সব মেয়েকে জ্বালিয়ে মারছিলাম।
গায়ে হলুদের সময় প্রথম ইসরাকে দেখি। সত্যি কথা বলতে কি তখন আমাকে ও এতটা আকর্ষনীয় মনে হয় নি। সবার সাথে যেমন টাংকি মারছিলাম ওর সাথেও হাসি তামাশা করছিলাম।
গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান শেষে ভাইয়া আমাকে ডেকে বলল ইসরাকে তার পছন্দ হয়েছে। আমি যেন মাকে বলি।
আমি বললাম “কি ঘোড়ার ডিম পছন্দ কর না তুমি, বুঝি না!”

ইস ! আগে যদি বুঝতাম এই ঘোড়ার ডিম পছন্দই আমার জীবনে কাল হয়ে দাড়াবে। বিয়ের ঠিক আগের দিন। সারা বাড়িতে উৎসবের আমেজ। নাচ গান চলছে। এমন সময় আমি ইসরাকে দেখলাম রং দিয়ে কী যেন একটা আল্পনা আকছে। হঠাৎ আমি লক্ষ্য করলাম আমার চোখ আপনা-আপনি ইসরার দিকে চলে যাচ্ছে। আমি কিছুতেই নিজেকে আটকে করতে পারছি না। কী ব্যাপার মেয়েটার মধ্যে কী এমন পরিবর্তন এসেছে? হঠাৎ করে মেয়েটাকে এতো ভাল লাগছে কেন?

সত্যি প্রেম বড় অদ্ভুত ব্যাপার! কখন যে কী হয় বোঝা মুশকিল! আমি তখনই ঐটুকু সময়ে ইসরার প্রেমে পড়ে গেলাম। দেখলাম শুধু আমি না আরো অনেকেই পড়ল ইসরার প্রেমে পড়ল। তার মধ্যে জামিল ভাই অন্যতম।
আগেই বলেছি জামিল ভাই করিত্কর্মা ফন্টেবাজ। তিনি দেরি করলেন না। তাত্ক্ষনাৎ ইসরাকে প্রপোজ করে বসলেন।
গ্রামগঞ্জে এসব ব্যাপার এতো হালকা ভাবে নেওয়া হয় না। তাই একটু ঝামেলা বেঁধে গেল। ইসরার এক ভাই জামিল ভাইকে বাঁশ দিয়ে মারতে এল। আরো অনেক কিছুই হয়ে যেতে পারত কিন্তু মুরব্বীদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হল। এতো কিছু হচ্ছে আমি কিন্তু ইসরার দিকেই তাকিয়ে আছি।
একভাবেই।
ও হয়তো একটু আধটু ব্যাপারটা বুঝতে পেরেছিল। ওর তাকানোর ধরন দেখেই বুঝছিলাম যে ও অস্বস্তি বোধ করছে। পরিস্থিতি শান্ত হলে ইসরা ওদের বাসায় ফিরে গেল। আর আমি কেবল ওর দিকেই তাকিয়ে থাকি। ওরা চলে যাওয়ার পরও কেবল ওর কথাই ভাবতে থাকলাম।

পরদিন সকালবেলা ইসরাদের বাড়ি চলে গেলাম। ইসরা তখন পুকুর পাড়ে মুখ ধুচ্ছে। আমাকে দেখে বেশ অবাক হল। ও খানিকটা অবাক হয়ে বলল “এতো সকালে আপনি? এখানে?”
“আসলে আপনার কাছে ক্ষমা চাইতে এসেছি। কালকে জামিল ভাই যা করেছে তার জন্য আমি খুবই দঃখিত।”
“আপনি কেন সরি হচ্ছেন?”
“না মানে …” আমি আর কথা খুজে পেলাম না। “আসলে বলতে এসেছি যদি কালকের ঘটনার জন্য আজকের বিয়েতে না যান, ব্যাপারটা খারাপ লাগবে।”

ইসরা হাসল। “আপনি কি এই জন্য এসেছেন?” ইসরা অদ্ভুত চোখে তাকাল আমার দিকে। বলল “ভয় নেই ফাজিল একটা ছোকরার জন্য আমি আমার বন্ধুর বিয়েতে যাবো না, এমন টা হবে না। আপনি টেনশন নিয়েন না।”
তারপর আরো টুকটাক কথাবার্তা হল। কোথায় থাকি, কী করি। ইসরা জানাল যে সে এখানে থাকে না, ঢাকাতে পড়াশুনা করে। পুরোটা সকাল ওর সাথে কাটালাম। কী এক অদ্ভুত ভাল লাগা ঘিরে ছিল চারিদিকে। বিয়ে বাড়িতে খুব আনন্দ হল। হইচই হল।

মীরুকে তুলে দেওয়ার পর ইসরার সাথে পুকুর পাড়ে চলে গেলাম। আজ যেন ওকে আরো সুন্দর লাগছে। কথা বলতে বলতে এক সময় ইসরা বলল “আপনি চলে আসার পর আপনার মা আজ আমাদের বাসায় এসেছিলেন।”
“তারপর?”
“আপনার ভাইয়ের জন্য আমাকে তার পছন্দ হয়েছে,” এই কথা বলতে এই কথা বলে ইসরা খুব হাসতে লাগল।
আমি বললাম “তুমি কী বললে?”
“আমি কী বলব? যা বলার তো আমার বাবা মা বলবে। শুনলাম আপনার ভাই নাকি আমাকে খুব পছন্দ করেছে। তার নাকি নাওয়া খাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে আমার জন্য।”
ইসরা আরো জোড়ে হাসতে লাগল। পুরোপুকুর পাড় জুড়ে ওর হাসি প্রতিধ্বনি হচ্ছিল। বুকের মাঝে কী যেন এক চিনচিন ব্যাথার সৃষ্টি হল।
বললাম “হ্যা ভাইয়া তোমাকে খুব পছন্দ করেছে। তোমার স্কেচ এঁকেছে। তোমাকে নিয়ে কবিতা লিখেছে।”
“কিন্তু পাত্রী হিসাবে আপনার তো আমাকে পছন্দ হয়নি, তাই না? গ্রামের মেয়ে, ঘোড়ার ডিমের মেয়ে, কী পছন্দ!” বলে ও আবারও হাসতে লাগল।
কিন্তু এই হাসিতে কেমন জানি একটা বিদ্রুপের মিশ্রন ছিল। তারপর যত দিন গ্রামে ছিলাম ইসরার সাথে প্রতিদিন দেখা হত। কথাও হত অনেক। কিন্তু নিজের মনের কথাটা আমি কিছুতেই বলতে পারলাম না।

ইসরা ভাইয়াকে বিয়ে করতে রাজি হল না কিছুতেই। কেউ ব্যাপারটা ঠিক বুঝতে পারছিল না। পাত্র হিসাবে ভাইয়া একেবারে পারফেক্ট ছিল। কিন্তু আমি জানি ইসরা কেন রাজি হয়নি। সেদিনের আমার বিদ্রুপ করা কথা ইসরা নিশ্চয়ই কোনভাবে শুনে ফেলেছিল। এই কথা ইসরার আত্মসম্মানে আঘাত করেছিল । আর এছাড়া ইসরা সম্ভবত আমার ব্যাপারেও কিছু আঁচ করতে পেরেছিল। মেয়েরা এই ব্যাপারগুলো সহজেই বুঝতে পারে।
তারপর হঠাৎ করে ঢাকা চলে আসতে হল। ইসরার সাথে শেষ দেখা হবার সময় ওকে সরি বললাম।
ইসরা অবাক হল। “সরি কেন?”
“তোমাকে কোনভাবে হয়তো কষ্ট দিয়েছি।”
“কখন?”
“দিয়েছি। তুমি না জানলেও আমি জানি। এই জন্য সরি বললাম।”
কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বললাম “আর একটা কথা …”
“বলুন।”

কিন্তু কেন জানি কথাগুলো বলতে পারলাম না। বলতে পারলাম না যে তাকে কতখানি পছন্দ করি। বলতে পারলাম না যে সেদিন ভাইয়ার আঁকা বলে যে স্কেচটা দিয়েছিলাম ওটা আসলে আমার আঁকা ছিল। কবিতার লাইনগুলোও ছিল আমার লেখা। কিন্তু কিছুই বলা হল না।
“বলুন।” ইসরা আবার বলল।
আমি বললাম, “থাক। আবার যদি দেখা হয় তাহলে বলব।”
তারপর চলে আসি ঢাকাতে। সবকিছু ভুলে গেলেও ইসরাকে ভুলতে পারলাম না কিছুতেই। ওর চোখ মুখ, ওর চুল, ওর কথা বলা, ওর মুক্তোর মত দাঁত, পাগল করা হাসি, হাসির শব্দ সব কিছুই আমার একেবার জীবন্ত ছিল।

তারপর ওর সাথে আবার দেখা হল। প্রায় দুই বছর পর। একুশের বই মেলায়।
একটা সুন্দর মত ছেলের সাথে হাটছিল। ইসরাকে দেখে কেন জানি খুব কষ্ট হতে লাগল। এতোদিন পরেও ওকে ভুলি নি কিংবা ভুলতে পারি নি। হাটতে হাটতে ও আমার দিকেই আসছিল। চাইছিলাম ও যেন আমাকে না দেখতে পায়। কোথাও লুকিয়ে পড়তে চাইলাম। কিন্তু ততক্ষণে দেরি হয়ে গেছে। ইসরা আমাকে দেখে ফেলল এবং চিনেও ফেলল সাথে সাথে।
“আবিদ ভাই” ! ওর মুখে বিস্ময়। “আপনি এইখানে । আমি তো ভাবতেই পারি নি আপনার সাথে আবার দেখা হয়ে যাবে।”
আমি ওর দিকে তাকিয়ে একটু হাসার চেষ্টা করলাম। খুব বেশি লাভ হল না।
“এইতো।” কোন রকমে বললাম। ওর সামনে দাড়াতে কেন জানি খুব কষ্ট হচ্ছিল মনের মধ্যে। আর ওর ঐ পাশের ছেলেটাকে একদম সহ্য হচ্ছিল না আমার।
“বই কিনতে এসেছেন? দেখি কী কী বই কিনলেন।” ইসরা নিজেই আমার হাতের বইগুলো নিয়ে নিল। ওর পাশে ছেলেটা দেখছিলাম এতে বিরক্ত হচ্ছিল।
ছেলেটা বলল “ আরে কী করছ? উনি এসেছে বই কিনতে ওনাকে কেন বিরক্ত করছ? আর আমার একটু তাড়া আছে। চল।”
ইসরা একথা শুনে ছেলেটার দিকে তাকাল। বলল “আবিদ ভাইয়ের সাথে কত দিন পর দেখা তুমি জানো? এতো সহজে ছাড়ছি না । তুমি তো আসতেই চাচ্ছিলে না। যাও, এখন তোমার ছুটি। আমি একটু আবিদ ভাইয়ের সাথে আড্ডা মারি।”
“আচ্ছা থাকো তুমি । আমি যাই।” ছেলেটা হাটা দিল। ছেলেটার চেহারা দেখে মনে হল সে ইসরার কাছ থেকে এমন আচরণ আশা করেনি। ছেলেটা চলে যাবা পর ইসরা আমার দিকে তাকাল। বলল “দেখুন আপনার জন্য কিন্তু নিলয়কে ছেড়ে দিলাম। আপনাকে কিন্তু ছাড়বো না।”
“আচ্ছা ঠিক আছে। সমস্যা নাই।”
বই মেলায় আরো কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরি করে আমরা টিএসসির মধ্যে বসলাম। বসতে বসতে ইসরাকে বললাম ‘‘ছেলেটা তোমার বয়ফ্রেন্ড?”
“কেন ? তাই মনে হল বুঝি?”
“না মানে……।”
ইসরা হেসে উঠল। “নিলয় আমাকে দুবার প্রপোজ করেছে। আমি হ্যা বলিনি।”
“কেন?”
“বলেছি একজন আমাকে ভালবাসে। তার সাথে যদি আর দেখা না হয় তাহলে আমি হ্যা বলব।”
আমার বুকের মাঝে কেমন জানি করে উঠল।
কোন মতে বললাম “দেখা হয়েছে তার সাথে?”
ইসরা অদ্ভুত ভাবে হাসল। “বলব কেন? তার আগে আপনি বলেন!”
“কী বলব?” আমি অবাক হলাম।
“আপনার মনে নেই? আপনার সাথে যখন আমার শেষবার দেখা হয় আপনি কী বলতে গিয়ে থেমে গিয়েছিলেন। বলেছিলেন আবার দেখা হলে বলবেন। এখন বলেন।”
আমার কথা আটকে গেল। বুকের এক পাশে কেমন যেন একটা ব্যাথা হতে থাকে। একটা চাপা কষ্ট নিয়ে আমি ইসরার দিকে তাকিয়ে রইলাম। কিছু বলতে পারি না।
“আমি বলতে পারবো না।”
ইসরা হাসল। বলল “আমি জানি আপনি সেদিন কি বলতে চেয়েছিলেন, আর এখনও কী বলতে পারছেন না। আচ্ছা, থাক বাদ দেন। আপনার ভাইয়া কেমন আছে? বিয়ে করেছে নিশ্চয়ই?”
“হু।”
“বলছিলেন তো আমার জন্য পাগল হয়ে গেছে। তা এতো তাড়াতাড়ি বিয়ে করে ফেলল! সব ছেলেরাই এমন। মুখে এক আর মনে আরেক।”
“সবাই এক না, ইসরা।”
ইসরা আবার হাসল। “তা অবশ্য ঠিক বলেছেন। সবাই এক না। তা না হলে আপনিও বিয়ে করে ফেলতেন।” বলে ও খুব হাসতে লাগল। এতোই জোড়ে যে আশেপাশে মানুষজন আমাদের দিকে ফিরে তাকাতে লাগল।
আমি আহত চোখে ওর দিকে তাকিয় থাকলাম। মেয়েগুলো এতো নির্মম হয় কিভাবে?

এই পর্যন্ত লিখে থামলাম। একটানা লেখার ফলে হাতটা একটু ব্যাথা করছিল। এর পর কী লিখবো এই ভাবছি এমন সময় ইসরা চা নিয়ে ঘরে ঢুকল।
“কী লিখছো” ?
“কিছু না।” ওর কাছ থেকে আড়াল করতে চাইলাম।
“দেখাও বলতেছি।” দেখাতে হল । বউ বলে কথা । আমি চা খেতে লাগলাম। ইসরা মন দিয়ে লেখা পড়তে লাগল।
পড়া শেষে বলল “এই লাইনটা কেন লিখলে?”
“কোন টা?”
“এই যে মেয়েগুলো এতো নির্মম কিভাবে হয় ! তোমার সাথে কী এমন নিষ্ঠুর আচরন করেছি আমি? তোমার উপর আমার যা রাগ ছিল!”
“কেন? আমি কি করেছি?”
“ঐ দিন যখন তোমার ভাইয়া আমাকে পছন্দের কথা বলে আমি শুনছিলাম। আমি পাশের ঘরেই ছিলাম। তোমার কথা শুনে এতো কষ্ট লাগল! তাই তোমার উপর একটা জেদ চেপে গিয়েছিল। কিন্তু পরদিন তোমার সাথে কথা বলে বুঝলাম যে তুমি আমার প্রেমে পড়েছ। আশ্চর্য হলাম। আর শোধ নেওয়ার পথও পেয়ে গেলাম। আমি কেবল অপেক্ষায় ছিলাম তুমি কথন প্রপোজ করবে আর আমি তোমাকে অপমান করবো।”
“মাই গড ! আমি এতোদিন তো এই কথা বল নি!”
“বলিনি । এখন বলছি।”
“আমি কিন্তু সরি বলেছিলাম।”
“বলেছিলে কারণ তুমি আমার প্রেমে পড়েছিলে। না পড়লে আর বলতে না।”
“না, আমি বলতাম। প্রেমে না পড়লেও বলতাম।”
“কচু বলতে।”
“আচ্ছা শুধু কি আমি প্রেমে পড়েছিলাম । তুমি পড়নি?”
এই কথাটার জবাব ইসরা চট করে দিলো না।
“তোমাকে আমার ভাল লাগে নি এই কথা আমি বলব না। কিন্তু জেদটা বেশি ছিল। তবে সেদিন বইমেলায় তোমাকে যখন দেখলাম। দেখলাম তুমি এখনও আমাকে ভালবাসো, তোমার চোখ দুটো চিত্কার করে বলছিল তুমি আমার জন্য কষ্টে আছো, কষ্ট পাচ্ছ, তখন আর জেদ ধরে রাখতে পারি নি।”
আমি ইসরা দিকে তাকিয়ে ছিলাম। ওর চোখ কাঁপছিল। ও বলেই চলল “এখনও বলবে আমি নিষ্ঠুর।”
“আরে কখন বললাম, তুমি নিষ্ঠুর? ওটাতো জাষ্ট কথার কথা।”
“আচ্ছা বল ঐ দিনের পর কে আগে ফোন করেছিল?”
“তুমি।”
“কে দেখা করতে চাইছিল আগে?”
“তুমি।”
“এমন কি বিয়ের কথা কে আগে বলেছিল?”
“আচ্ছা বাবা আমি তো মেনে নিচ্ছি। এইতো আমি লাইনটা কেটে দিচ্ছি । খুশি?”
“হ্যা।” ইসরা খুশি হল।

এই হল আমার কাহিনী । আমার আর ইসরার ভালবাসার গল্প ।

এই গল্পটা অনেক আগে লেখা। ২০১২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। প্রায় ১৪ বছর আগের লেখা গল্প। তবে অনেকেই এটা জানে না যে এই গল্পটার প্রায় পুরোটাই আমি স্বপ্নে দেখেছিলাম। স্বপ্নে এইভাবে একই ঘটনা ঘটেছিল। কেবল শেষটুকু আমি মিলিয়ে দিয়েছি। বাকি সবটুকুই স্বপ্নে ছিল।

ফেসবুকের অর্গানিক রিচ কমে যাওয়ার কারনে অনেক পোস্ট সবার হোম পেইজে যাচ্ছে না। সরাসরি গল্পের লিংক পেতে আমার হোয়াটসএপ বা টেলিগ্রামে যুক্ত হতে পারেন। এছাড়া যাদের এসব নেই তারা ফেসবুক ব্রডকাস্ট চ্যানেলেও জয়েন হতে পারেন।

অপু তানভীরের নতুন অনুবাদ গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে

বইটি সংগ্রহ করতে পারেন ওয়েবসাইট বা ফেসবুকে থেকে।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

Average rating 4.8 / 5. Vote count: 26

No votes so far! Be the first to rate this post.

About অপু তানভীর

আমি অতি ভাল একজন ছেলে।

View all posts by অপু তানভীর →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *