বিডিআর ১৭ ব্যাটালিয়ান নামটা আমি আরেকবার পড়লাম। দুই নম্বর গেটের পাশে লেখাটা এখানে যে ছিল সেটা আমি ভুলেই গিয়েছিলাম অথচ এই এক সময়ে গেটের ভেতর দিয়ে দিনে কয়েকবার করে যাতায়াত করতাম। সেই সময় ক্যাম্পগুলোতে এতো কড়াকড়ি ছিল না। চাইলে সাধারণ মানুষ এর ভেতরে ঢুকতে পারত, বিশেষ করে বাচ্চারা তো খুব সহজেই প্রবেশ করতে পারত। তারপরেই ক্যাম্পগুলো একটু বেশি কড়াকড়ি শুরু করে এবং সাধারণ মানুষের প্রবেশাধিকার সীমিত করে। সেটাও অনেক দিন হল। তারপর থেকে এই ক্যাম্পের ভেতরে আর প্রবেশই করা হয় নি কোনোদিন। তাই আমি গেট দিয়ে ঢুকতে গিয়ে একটু যেন দ্বিধান্বিতবোধ করছিলাম।
কিন্তু আমার পাশ দিয়েই যখন একজনকে গেট দিয়ে প্রবেশ করতে দেখলাম অবলিলায় তখন মনের দ্বিধা কেটে গেল। আমি তো ভুলেই গিয়েছিলাম যে আমি প্রায় ৩০ বছর অতীতে পৌছে গেছি। আমি ভেতরে পা রাখলাম। আস্তে আস্তে হাটতে লাগলাম। মাগরিবের আযান দিয়েছে অনেকটা সময় হয়ে গেছে। নামাজ শেষ হয়ে গেছে এতো সময়ে। আমি নির্দিষ্ট জায়গা দিয়ে দাঁড়ালাম। তারপর অপেক্ষা করতে শুরু করলাম।
আমি আসলে আজকে এখানে কেন এসেছি সেই ব্যাপারটা নিজের কাছেই খানিকটা হাস্যকর মনে হচ্ছে। এতো গুরুত্বপূর্ণ একটা আবিস্কার আর আমি কিনা সেটার সাহায্য নিয়ে কী হাস্যকর আর অদরকারি একটা কাজ করতে এসেছি। কেন এই কাজটা আমি করতে এসেছি আমি নিজেই জানি না। নাকি জানি?
অবশ্যই জানি। আমি খুব ভাল করেই জানি আমি এখানে কেন এসেছি। ছোট বেলা থেকে আমার মনে যে চাপা কষ্ট বা রাগটা আমি পুষে রেখেছি একজনের প্রতি, সেটা আজকে আমি শেষ করব। ব্যাপারটা যেন আর নাই ঘটে সেটার ব্যবস্থা করব। আমি আরো কিছু ভাবতে যাচ্ছিলাম তার আগেই আমি দেখতে পেলাম ছেলেটাকে। বয়স কতই বা হবে! ক্লাস থ্রিতে পড়া একজন ছেলের বয়স আর কতই হতে পারে! সে মাগরিবের নামাজ শেষ করে আস্তে আস্তে বাসার দিকে যাচ্ছে। আমি একভাবে ছেলেটাকে দেখতে লাগলাম। নিজেকে এতো দেখতে বড় অদ্ভুত মনে হতে লাগল। আমি একভাবেই তাকিয়ে রইলাম ছোট আমার দিকে। এভাবে নিজেকে দেখার সুযোগ সবার হয় না। মনে একটা অদ্ভুত অনুভূতি হচ্ছিল। কিন্তু তারপরেই মনটা শক্ত হয়ে উঠল। কারণ পেছনে আসা আরেকটা ছেলেকে আমার চোখে পড়েছে। এই ছেলেটা একটু বড়। শরীর স্বাস্থ্যেও বেশ ভাল। সে দ্রুত এগিয়ে আসছে পেছনে তারপর ছোট ছেলেটাকে রাস্তা থেকে এক প্রকার টেনে নিয়ে গেল পাশের মাঠের ভেতরে। ওইদিকটা বেশ কিছু গাছপালা আছে যা রাস্তা থেকে ঠিকমত দেখা যায় না।
আমি এবার আড়াল থেকে বের হয়ে এলাম। মাঠের ভেতরে দুইজনের দিকে এগিয়ে গেলাম দ্রুত। কাছে যেতেই দেখতে পেলাম বড় ছেলেটা ছোট ছেলেটার কলার চেপে ধরেছে, এখনই আঘাত করত কিন্তু আমার চলে আসার সেটা ছেড়ে দিল। আমি একটু গলা খাঁকারি দিয়ে বললাম, এই কী করছো এখানে?
বড় ছেলেটা বলল, না আঙ্কেল কিছু করছিলাম না।
আমি জানি সে কী করছিল বা কী করতে যাচ্ছিল। আমি বললাম, ওকে মারতে যাচ্ছিলে?
-না না আঙ্কেল মারছিলাম না।
আমি একবার তাকালাম ছোট আমার দিকে। তারপর আবারও বড় ছেলেটার দিকে। তারপর কিছু বুঝে ওঠার আগেই কষে এক চড় বসিয়ে দিলাম। আমার চড়ের আঘাতে ছেলেটা একেবারে ছিটকে গিয়ে পড়ল পাশের মাটিতে। যদিও চারিদিকে বেশ ভালই অন্ধকার তবে ছেলেটার চেহারায় একটা বিস্ময় ভাব আমি দেখতে পাচ্ছিলাম। সে সম্ভবত ভাবতেও পারে নি যে আমি তাকে এইভাবে চড় মারতে পারি। আমি আরো একটু কাছে এগিয়ে গেলাম তারপর নিজেই ছেলেটার কান ধরে টেনে উপরে তুললাম। বড় ছেলেটা ব্যাথায় কাঁকিয়ে উঠল। তবে এখনো কাদছে না। সম্ভব ছোট আমার সামনে কাঁদতে তার আত্মসম্মানে বাঁধছে। আমি বললাম, তুই ওকে প্রায়ই মারিস, তাই না?
বড় ছেলেটা একবার মাথা ঝাকিয়ে মানা করতে গেল তবে তার আগেই আরেকতা চড় তার ডান গালে বসিয়ে দিলাম। এবারও সে ছিটকে পড়ল মাটিতে। এবার কান্নার আওয়াজ পেলাম।
আমি আবারও কান টেনে ধরলাম। তারপর বলল, বল সত্যি করে! মারিস ওকে!
সে ততক্ষণে আমাকে ভয় করতে শুরু করেছে। সে বুঝে গেছে যে আমি সব জানি অর ব্যাপারে। আশে পাশের সব নিরীহ ছেলেদের এই ছেলেটা ধরে মারে। বুলি করে।
-কী মারিস?
সে মাথা ঝাকাল।
-কেন মারিস?
এই বলে আরেকটা চড়। এবার সে জোড়ে কাঁদতে শুরু করল। আমি যদিও এটা নিয়ে খুব একটা চিন্তিত হলাম না। আমি জানি এই রাস্তা দিয়ে কেবল নামাজ ফেরত মানুষরাই বাসায় যায়। আর নামাজের অনেকটা সময় পার হয়ে গেছে। সবাই বের হয়ে গেছে। এই সময়ে ক্যাম্পের এই রাস্তাটা একটু নির্জন থাকে। মানুষজনের চলাচল কম থাকে। সেদিনও ছিল আর আজকেও। আমি এবার ছেলেটার গলা চেপে ধরে বললাম, শোন বাইন%#৳, আর কোনদিন যদি ওকে বা এই এলাকার অন্য কোনো ছেলেকে জ্বালাতন করতে দেখেছি বা শুনেছি তোকে একবারে পুতে ফেলব মাটির সাথে। তোর বাপসহ পেটাবো! যা ভাগ এখান থেকে!
ছেলেটা এবার পরিমরি করে দৌড়াতে লাগল। দেখতে পেলাম একবার পরেও গেল তবে উঠে গিয়ে আবারও দৌড়াল।
সে চলে যেতেই আমি এবার তাকালাম ছোট ছেলেটার দিকে। ছোট আমির দিকে। সে আমার দিকে খানিকটা ভীত চোখে তাকিয়ে রয়েছে। ঠিক বুঝতে পারছে না যে কী করবে। আমি বলল, ভয় পেও না। আমাকে ভয় পাওয়ার কোন কারণ নেই।
ছোট আমি বলল, আপনি কে?
-আমিই?
আমি আসলে এই প্রশ্নের কী জবাব দিব সেতা আমি নিজেও বুঝলাম না। একবার মনে হল যে সত্যি কথাটা বলে দিই। তাকে জানিয়ে দেই যে আমি কে আর এখানে কেন এখানে এসেছি তবে সেটা বলা থেকে নিজেকে সংযত করলাম। এমন একটা কথা বলা কিংবা বিশ্বাস করানোর সময় তখনো আসে নি।
আমি হাসলাম। তারপর বললাম, আমি তোমার পরিচিত একজন তবে এখনও তুমি আমাকে চিনবে না। আর বড় হও তাহলে জানতে পারবে, বুঝতে পারবে! এখন যাও সোজা বাসায় চলে যাও। মন দিয়ে পড়াশোনা করবে, কেমন?
ছোট্ট আমি একবার মাথা ঝাকাল তারপর সে দ্রুত বাসার দিকে রওয়ানা দিল। আমি তার চলে যাওয়ার দিকে তাকিয়েই বুঝতে পারছিলাম যে সে আমাকে সে ভয় পাচ্ছে ঠিকই। অবশ্য ভয় পাওয়াটা অস্বাভাবিক না। আমি একটু হাসলাম কেবল। সেখানে আরও কিছু সময় দাঁড়িয়ে রইলাম। নিজের ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি যাওয়ার সময় হয়ে এসেছে। কাধের ব্যাগ সদৃশ্য যন্ত্রটার বিশেষ জায়গাটায় আমি টিপ দিলাম। সাথে সাথে ন্যাটোবাইটগুলো আমার পুরো শরীরটাকে কাভার করতে শুরু করল। আমার ফিরে যাওয়ার সময় এসেছে!
দুই
প্রফেসর আমার দিকে রাগত চোখে তাকিয়ে রইলেন কিছুটা সময়। তারপর বললেন, এই কাজটা না করলে কী হতো না? কী পরিমাণ বিপদ হতে পারত সেটা তুমি জানো না? প্রোটোকলে স্পষ্ট লেখা আছে, একক ব্যবহারকারীর জন্য সর্বোচ্চ সীমা ছয় মাস। তুমি সেই সীমা ভেঙেছ ত্রিশ গুণ। আর সেটাও আমার অগোচরে, রাতের বেলা, ল্যাব লগে মিথ্যা এন্ট্রি দিয়ে।
আমি মাথা নিচু করে রইলাম। মিথ্যা এন্ট্রির কথাটা তিনি ঠিকই ধরে ফেলেছেন। আমি বললাম, স্যার, আমরা তো ছোট পরিসরে বহুবার পরীক্ষা করেছি। প্রতিবারই সফল। আমি শুধু দেখতে চেয়েছিলাম, বড় পরিসরে গেলে সিস্টেম আদৌ স্টেবল থাকে কিনা।
-তুমি সিস্টেম টেস্ট করতে চাওনি। তুমি ব্যক্তিগত কিছু একটা করতে গিয়েছিলে। সেটা আমি তোমার চোখ দেখেই বুঝতে পারছি।
আমি কোনো জবাব দিলাম না। তিনি দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, শোনো, এই মেশিন কোনো টাইম-লুপ তৈরি করে না। এটা একটা নতুন শাখা-বাস্তবতা তৈরি করে — একটা ব্র্যাঞ্চ। তুমি যে টাইমলাইন থেকে এসেছ, সেটা অক্ষতই থাকবে, বদলাবে না। তুমি শুধু একটা সমান্তরাল অতীতে গিয়ে সেখানে হস্তক্ষেপ করেছ, যেটা এখন থেকে নিজের মতো করে সামনে এগোবে।
আমি জানি এমন কিছুই হবে। আসল যে টাইম লাইন রয়েছে যেখানে আমি ঠিকই এই ব্যাপারটা মনে রাখত, কারণে সেখানে এই ব্যাপারটা ঘটবে। তবে আমার এই টাইম লাইন পরিবর্তন হয়েছে।
প্রফেসর আবারও বললেন, তোমার মস্তিষ্ক আর সেই ব্র্যাঞ্চের মধ্যে একটা কোয়ান্টাম-এনট্যাঙ্গলমেন্ট তৈরি হয়ে গেছে, কারণ তুমিই ছিলে সেই হস্তক্ষেপের উৎস। এই এনট্যাঙ্গলমেন্ট আপনাআপনি ক্ষয় হতে সময় নেয় — আমরা একে বলি ‘মেমোরি ডিকে ল্যাগ’। যতক্ষণ না সেই ক্ষয় পুরোপুরি যাচ্ছে তোমার মন থেকে, ততক্ষণ তুমি দুটো স্মৃতিই বহন করবে। একটাতে পুরনো টাইমলাইনের স্মৃতি, আর নতুন ব্র্যাঞ্চের ‘সম্ভাব্য’ স্মৃতি। ব্যাপারটা ঘটবে আস্তে আস্তে। একসাথে। এর ফলে নিউরোলজিক্যাল ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। মাথাব্যথা, ডুয়েল ম্যামোরি, বাস্তবতা নিয়ে বিভ্রান্তি — এসবই হতে পারে, কয়েক সপ্তাহ ধরে। এমন একটা কাজ তুমি কেন করতে গেলে!
আমি সব কিছু জেনেই কাজটা করেছি। এসব হবে আমি জানতাম। তবে সুযোগ যখন পেয়েছি অন্তত এই টাইম লাইনে আমি সেটা মুছতে চেষ্টা করতে চেয়েছিলাম।
এদিকে প্রফেসর বলেই চলেছেন, তোমার এই স্মৃতি কবে মুছবে কে জানে? আদৌও পুরোপুরি মুছবে কিনা সেটাও কেউ জানে না। তবে নতুন ব্র্যাঞ্চের স্মৃতিটা প্রাধান্য পেতে শুরু করবে, ধীরে ধীরে। এখন বলো ৩০ বছর আগে গিয়ে কী করেছো? কী কী বদলেছো?
আমি চুপ করে রইলাম কিছুক্ষণ। আসলে কী বলব সেটাই খুজে পেলাম না। আমি যে কাজটা করে এসেছি সেটা প্রফেসরের কাছে বড় হাস্যকর শোনাবে।
যখন টাইম মেশিনটার প্রাথমিক পরীক্ষা সফল হয়েছিল সেই সময় থেকেই আমার মনের ভেতরে একটা সুপ্ত বাসনা এসে বাসা বাধে যে এই মাসুম বদমাইশকে একটা উচিৎ শিক্ষা দিবো।
আমার ছোটবেলাটা বেশ চমৎকারই কেটেছিল বলা যায়। আমার বাবা মায়ের ভেতরে কোন সমস্যা ছিল না। স্বাভাবিক পরিবারের মত আমি আদর যত্নেই বড় হয়েছি। ছোট বেলার একটা ঘটনা আমাকে আজীবন কষ্ট দিয়ে গেছে। আমাদের পাশের বাসার মাসুম নামের একটা ছেলে। সে ছিল অত্র এলাকার বুলি। তার বয়সী এবং তার থেকে ছোট সব ছেলেদের সে জ্বলাতন করে বেড়াত। আমাকেও সে ছাড়ে নি। কয়েকবার তার হাতে হেনস্তর শিকার হতে হয়েছে। সেদিন সে আমার কলার চেপে ধরে আমার মেরেছিল। আমি সেদিন যখন বাসায় এটা নিয়ে অভিযোগ জানাই তখন মা নিয়ে গিয়েছিল তাদের বাসায়। তখন সে চোখ উল্টে বলেছিল আমিই নাকি আগে মারামারি শুরু করেছিলাম। তারপর থেকে প্রায়ই দিনই সে এই কাজ করত। আমার মা বাবা প্রতিবার আমাকে বলত আমি যেন তার কাছ থেকে দুরে থাকি। আমি তার থেকে দুরেই থাকতাম কিন্তু প্রতিবার সে নিজ থেকে এসে আমার সাথে মারামারি বাধাত। সে জানতো শক্তিতে আমি তার সাথে পারব না। তাই এই কাজ করে সে মজা পেত। শেষ পর্যন্ত আমরা সেই এলাকা ছেড়ে চলে আসি।
আমি চুপ করে আছি দেখে প্রফেসর বললেন,যাও এখান থেকে। কালকে সকালে ডিব্রিফিংয়ে আসবে, নিউরাল স্ক্যান করাতে হবে তোমার।
আমি প্রতিবাদ করলাম না। জানতাম প্রফেসর জয়নাল আহমেদ এখন রাগ করছেন, তবে কালকেই আবার আমাকে ডেকে পাঠাবেন, প্রোটোকল ভাঙার শাস্তি যা-ই হোক। আমি আপন মনে নিজের কটেজের দিকে হাঁটা দিলাম।
আজ রাতে আমার মনে একটা অদ্ভুত অনুভূতি কাজ করছিল — যেন দুটো স্রোত একসাথে বইছে মাথার ভেতর। একদিকে মাসুমের হাতে মার খাওয়ার সেই পুরনো, তীক্ষ্ণ স্মৃতি এখনো স্পষ্ট। অন্যদিকে একটা নতুন, নরম অনুভূতি ভেসে উঠছে — যেন কেউ একজন, কোনো এক সন্ধ্যায়, মাঠের ধারে তাকে বাঁচিয়েছিল। ছেলেবেলার সেই অদ্ভুত অচেনা রহস্যময় লোকটার একটা আবছা মুখ। প্রফেসর যা বলেছিলেন তা সত্যি — দুটো স্মৃতিই সেখানে আছে, একটা প্রবল হচ্ছে, একটা ফিকে হচ্ছে, কিন্তু কোনোটাই এখনো সম্পূর্ণ মুছে যায়নি।
সেই রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে আমার মনে অদ্ভুত সব ব্যাপার লক্ষ্য করতে লাগলাম। আমার মনে বিশ্ববিদ্যালয় জীবন কিংবা কলেজ জীবনের স্মৃতিতে কোন সমস্যা নেই। কিন্তু স্কুল জীবনের কিছু স্মৃতি যেন গোলমাল দেখা দিচ্ছে। একটাতে রহস্যময় সেই মানুষটাকে নিয়ে অনেক কিছু রয়েছে। অন্যটাতে কিছুই নেই। আমি জানি এটা চলবে আরও বেশ কিছু দিন। তারপর এক সময়ে আমার স্মৃতি থেকে একটা স্মৃতি হারিয়ে যাবে। এটাই আমি চেয়েছিলাম। আমার জীবন থেকে মাসুম নামের সেই মানুষটার স্মৃতি একেবারে হারিয়ে যাবে!
ফেসবুকের অর্গানিক রিচ কমে যাওয়ার কারনে অনেক পোস্ট সবার হোম পেইজে যাচ্ছে না। সরাসরি গল্পের লিংক পেতে আমার হোয়াটসএপ বা টেলিগ্রামে যুক্ত হতে পারেন। এছাড়া যাদের এসব নেই তারা ফেসবুক ব্রডকাস্ট চ্যানেলেও জয়েন হতে পারেন।
অপু তানভীরের দুটি অনুবাদ গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে।

এছাড়া সকল গল্পের লিস্ট পাবেন সূচিপত্রে। পুরানো আগের গল্প পড়তে পারবেন সামহোয়্যারইন ব্লগ ও ওয়াটপ্যাড থেকে।
Discover more from অপু তানভীর
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
